বিয়ের সাতদিন পর আমার বউকে (M’assR’ape) করা হয়েছিল। এই জ’ঘন্য কাজটা আমার সামনেই করা হয়েছিলো কিন্তু আমি কিছুই করতে পারিনি।

আমাকে বেঁ’ধে রেখে আমার সামনেই ন’র’পি’শা’চরা আমার বউকে (R’ape) করেছিল। আমি অনেক আ’কুতি মিনতি করেছিলাম কিন্তু তাদের কানে আমার আ’কুতি পৌছায়নি।

ওরা ছিলো চার জন। বিয়ের পর আমি নিজেই আমার বউ এর কাছে যাইনি। কারণ সে অসু’স্থ ছিলো। কিন্তু ওরা অসু’স্থ্যতা দেখেনি। ওরা চলে যাওয়ার পরেও পাঁচ ঘন্টা আমার স্ত্রী আমার সামনে ন’গ্ন, র’ক্তা’ক্ত অবস্থায় পড়েছিলো।

তাঁর কা’ন্না আমার ভিতর পর্যন্ত পৌছে গিয়েছিল। তারপর তাকে হা’সপাতালে ভ’র্তি করি। সে অ’সু’স্থ অবস্থায় হাস’পাতালের বেডে দিন গুনতে থাকে। আর আমি অ’প’রা’ধীদের শা’স্তির জন্য দৌ’ড়াদৌ’ড়ি করতে থাকি।

একসময় তাদের গ্রে’ফ’তার করা হয়। তবে কে’স চালাতে হয়েছে আমাকে। আমার সবকিছু আমি বিক্রি করে দিয়েছিলাম শুধু ন্যা’য় বি’চার পাওয়ার জন্য কিন্তু আমি পাইনি।

তিনমাস পর তারা জা’মিনে বের হয়ে আসে। আর সেদিনই আমার স্ত্রী গ’লায় দ’ড়ি দিয়ে আ’ত্ম’হ’ত্যা করে। চি’ঠিতে লিখে গিয়েছিল। এই দে’শে (R’apist)দের শা’স্তি হয় না কিন্তু অ’ত্যা’চা’রীতদের মা’ন’সিক শা’স্তি ঠিকই হয়।

আমার সামনে দিয়ে যখন সেই সব মানুষগুলো হেঁটে যেতো তখন ম’রে যেতে ইচ্ছে করতো। ওরা ছিল প্র’ভা’বশা’লী তাই ওদের কে কিছু করা যাবে না সেটা জানি আমি।

একটা মে’য়ের সাহায্য নিয়ে ওদের চারজনকে আমি কি’ড’ন্যা’প করি। কারণ ওরা ছিলো মে’য়ে পা’গ’ল। মে’য়ের জন্য যেখানেই হোক না চলে যেতো।

চারজন মানুষকে একা কি’ড’ন্যা’প করা কখনো সম্ভম না। কিন্তু আমি করেছিলাম। তার জন্য ব্যবহার করেছিলাম এক জাতীয় (স্প্রে) যেটা নাকে ধরলে চ’ব্বিশ ঘ’ন্টা অ’জ্ঞা’ন থাকবে।

ওরা যখন চোখ খুলে তখন একটা অ’ন্ধকার রু’মের ভিতর হাত পা বাঁ’ধা অবস্থায় পড়েছিল। ওদের জ্ঞা’ন ফেরার পরেই আমি ছু’টে যাই ওদেরকে চি’র’তরে শে’ষ করে দেওয়ার জন্য।

কিন্তু তখন আমার মনে হয় আমার বউ এর মৃ’ত্যু য’ন্ত্র’ণা। কতোটা ক’ষ্ট দিয়েছিলো তাকে। হা’সপাতালের বেডে কতোটা য’ন্ত্র’ণা স’হ্য করেছিল।

তখন আমার মনে হলো এদেরকে শুধু দুই মিনিটের মৃ’ত্যু দিলে আমার বউ এর আ’ত্মা শা’ন্তি পাবে না। এদের আমি পৃৃ’থিবীর স’বচেয়ে ভ’য়ং’কর আর ক’ষ্টকর মৃ’ত্যু উপহার দিবো।

সাত দিন ওদেরকে আমি বাঁ’চিয়ে রেখেছিলাম। সাত দিন ওদের সাথে আমি ন’র’পি’শা’চের মতো ব্যবহার করেছিলাম। ওদের শ’রীরের প্রতি ই’ঞ্চি পরপর শু’ই ঢুকিয়েছিলাম।

শু’ই দিয়ে মুখের সমস্ত জায়গায় ছি’দ্র করেছিলাম। তারপর স’মস্ত গা’য়ে ল’বণ ম’রিচ মাখিয়ে দিলাম। ধীরে ধীরে ওদের প’রা’ন পা’খিটা আ’কাশে উরে গেল। আমি পেরেছি, আমার নিজের হাতে ওদের সা’জা দিতে।

-কা’লে’ক্টেড গল্প। এর সাথে বা’স্তবের কোনো কা’হী’নির মিল নেই।

By talha

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.