এক নজরে দেখে নিন ১৭ বছরের ক্রিকেট ক্যারিয়ারে ধোনির সফলতা ও ব্যার্থতা

১৪ বছরের আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে একের পর এক সাফল্য। ভারতের (Team India) অধিনায়ক হিসেবে ঝুলিতে তিনটি আইসিসি (ICC) ট্রফি জয়। সঙ্গে রয়েছে ‘সেরা ফিনিশার’-এর তকমা।

২০০৪ সালে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক ঘটিয়েছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি (Mahendra Singh Dhoni)। চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামের সেই ম্যাচে অবশ্য ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছিলেন। প্রথম বলেই তাঁকে রান আউট করে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান তাপস বৈশ্য ও খালেদ মাসুদ।

তবে এরপর আর তাঁকে ঘুরে তাকাতে হয়নি। নিজের দমে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অন্যতম সেরা ফিনাশার হয়ে ওঠেন তিনি। ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পর, ২০১১ সালে তাঁর নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিল টিম ইন্ডিয়া।

এমনকি ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ও এসেছিল তাঁর অধিনায়কত্বে। টেস্ট ক্রিকেটে অধিনায়ক হিসেবে মাহি তেমন সাফল্য পাননি। তবে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ক্ষুরধার মস্তিষ্কের জন্য ‘ক্যাপ্টেন কুল’ (Captain Cool) আখ্যা পেয়েছেন মাহি।

এহেন ধোনির একদিনের কেরিয়ারে ঘটেছিল একটি কাকতালীয় ঘটনা। অভিষেক ম্যাচের মতো আন্তর্জাতিক কেরিয়ারের শেষ ম্যাচেও রান আউট হয়েছিলেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক। ২০০৪ সালে চট্টগ্রাম স্টেডিয়ামের মতোই

২০১৯ সালে বিশ্বকাপের সেমি ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে অল্পের জন্য রান অউট হয়েছিলেন তিনি। সেই আউটের জ্বালা এখনও ভুলতে পারেননি ধোনি।

টেস্ট থেকে ২০১৪ সালেই অবসর নিয়েছিলেন। এরপর ২০২০ সালের ১৫ অগস্ট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকেও অবসর নিয়ে ফেলেন মাহি। বিদেশের মাঠে টেস্টে তাঁর নেতৃত্ব ভারতীয় দল ব্যর্থ হলেও,

২০০৯ সালে ঘরের মাঠে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে টেস্টে এক নম্বর দলে পরিণত হয় টিম ইন্ডিয়া। ৬০০ দিনের বেশি সময় শীর্ষস্থান ধরে রাখে ভারত। এমনকি তাঁর নেতৃত্বে ভারতে ঘরের মাঠে ২১টি টেস্ট ম্যাচ জিতেছে। সেটা ভারতের অধিনায়কদের মধ্যে সেরা পারফরম্যান্স।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *