এবার বিরাট ইস্যুতে মুখ খুলেন মাশরাফি

যোগাযোগের ঘাটতির কারণেই বিভিন্ন সময়ে বোর্ড-ক্রিকেটারদের বৈরিতা চরম আকার ধারণ করে। সাম্প্রতিক কয়েকটি ঘটনা তার বাস্তব প্রমাণ। বোর্ডের সঙ্গে ক্রিকেটারদের যোগাযোগের এ ঘাটতি নিয়ে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেন, কেন হয়, আমিও জানি না।

দেখুন বিরাট কোহলির মতো ক্রিকেটার এখন আর সীমিত ওভারের ক্রিকেটে অধিনায়ক নন, কল্পনা করা যায়! কোহলির চেয়ে বড় ক্রিকেটার বাংলাদেশের ক্রিকেটে আছে?

তিনি আরও বলেন, কোহলিকে যখন অধিনায়ক থেকে সরানো হয়েছে, কোনো কথা কী বাইরে এসেছে? ভেতরে যা-ই থাকুক, প্রকাশ্যে কতটা পারস্পরিক শ্রদ্ধা! পেশাদারি যে আচরণ থাকা উচিত, সেটা দেখা গেছে। তাতে যোগাযোগের কথা বলছি আমি।

অবশ্যই কোহলিকে সরানোর আগে তাকে জানানো হয়েছে। সৌরভ গাঙ্গুলি বলেছেন যে- ‘হ্যাঁ, আমার সঙ্গে কথা হয়েছে ওর।” তার মানে, তাদের সিস্টেম কতটা ভালো। মিডিয়ার সামনে যতটা বলা উচিত, সবাই ততটুকুই বলছে। এটাকে বলে পেশাদারিত্ব। এখানে আত্মীয়তা, ভালোবাসার মূল্য নেই।

দেশের একটি অনলাইন পোর্টালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মাশরাফি আরও বলেন, যোগাযোগ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। মুশফিককে কিপিং করাবেন না, এটা তো ড্রেসিং রুমেই শেষ হওয়া উচিত।

টিভিতে দেখে প্রতিক্রিয়া দেখাবেন কেন? পরে প্রশ্ন করবেন। কিন্তু আগেই যখন বলে দিচ্ছেন, তার মানে আপনি এতই কনফিউজড এবং লোকে সমালোচনা করবে- এই ভয়ে আপনি আগে এসেই বলে দিচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, পাকিস্তান সিরিজে মুশফিককে টি-টোয়েন্টিতে রাখা হলো না। পরে সে বলল যে তাকে জানানো হয়নি, প্রধান নির্বাচক নান্নু ভাই বললেন যে বলা হয়েছে।

আমার ক্ষেত্রেও এমনটি হয়েছিল। অন্যান্য বোর্ড তো আমার চেয়ে হাজারগুণ বড় ক্রিকেটারদের সঙ্গেও ভালোভাবে যোগাযোগটা করতে পারছে!

সাবেক এই অধিনায়ক আরও বলেন, ক্রিকেট বোর্ড চাইলেই কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে। দেশের চেয়ে কোনো ক্রিকেটার বড় নয়। যদি কেউ দেশের চেয়ে বড় হয়, তাকে না খেলানোই উচিত। এটা হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

কোটি কোটি মানুষ মাশরাফির পক্ষে থাকুক, কিন্তু মাশরাফি যদি মনে করে সে বাংলাদেশ ক্রিকেটের চেয়ে বড়, তাহলে তাকে বাদ দেওয়া উচিত। কে কী বলল, সেটা গুরুত্বপূর্ণ নয়।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *