এসব করলে কখনই তরুণদের আইডল হতে পারবে না, কোহলিকে নিয়ে বোমা ফাটালেন গৌতম গম্ভীর

ডিন এলগারের এক রিভিউ নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছে ভারতীয় দল। অধিনায়ক বিরাট কোহলিসহ ভারতের অনেক ক্রিকেটারই ডিআরএসের সিদ্ধান্ত নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।

ডিআরএসে দক্ষিণ আফ্রিকান অধিনায়ক ডিন এলগারের এলবিডব্লিউয়ের সিদ্ধান্ত বদলে যাওয়ায় আলোচনা-সমালোচনা চলছেই। তবে অন্যদের কথা বাদ,

ভারতের অধিনায়ক হয়ে কোহলি যা খুশি তা বলতে পারেন না, মনে করছেন স্বদেশি সাবেক ওপেনার গৌতম গম্ভীর। কোহলিকে ‘অপরিণত’ আখ্যা দিয়ে রীতিমত ধুয়ে দিয়েছেন তিনি।

ঘটনার সূত্রপাত প্রোটিয়াদের দ্বিতীয় ইনিংসের ২১তম ওভারে। ২১২ রান তাড়া করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা তখন ১ উইকেট হারিয়ে তুলে ফেলেছে ৬০ রান।

তখনই রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বল গিয়ে আঘাত হানে এলগারের প্যাডে। ভারতের এলবিডব্লিউর আবেদনে ইতিবাচক সাড়াও দেন আম্পায়ার মারাইস ইরাসমাস। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার রিভিউতে বল ট্র্যাকিংয়ের সময় দেখা যায় ডেলিভারিটা চলে যেতো স্টাম্পের ওপর দিয়ে।

এই বল ট্র্যাকিং টেকনোলজি মূলত পরিচালনা করে হক আই নামের একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান, যারা সম্প্রচারকারীদের ডেটা দিয়ে থাকে। সুপারস্পোর্টও তাদের সাহায্য নিয়েই ম্যাচে আম্পায়ারদের সাহায্য করছে।

কিন্তু কোহলিদের মনে লেগে গেছে সন্দেহ। বিরক্ত কোহলিকে স্ট্যাম্প মাইক্রোফোনে বলতে শোনা গেছে, ‘নিজেদের দল যখন বল চকচকে বানায়, তখন তাদের ওপর মনোযোগ দাও, প্রতিপক্ষের ওপর নয়। সবসময় লোকজনকে ধরার চেষ্টা চলছেই।’

ভারতীয় অধিনায়কের এমন আচরণ মানতে পারছেন না গম্ভীর। তিনি বলেন, ‘কোহলি খুবই অপরিপক্ক। একজন ভারতীয় অধিনায়ককে স্টাম্প মাইকের সামনে এভাবে বলতে দেখা খুবই কদর্য ব্যাপার। এসব করে তুমি কখনও তরুণদের আইডল হতে পারবে না।’

শুধু কোহলি অবশ্য নন। ভারতীয় দলের অনেককেই প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতে দেখা গেছে। দলের সহ-অধিনায়ক লোকেশ রাহুল তো সরাসরিই বলে দেন, ’১১ জন মানুষের বিরুদ্ধে পুরো দেশ লেগে গেছে!’

অশ্বিন আবার নাম ধরে বলেছেন ব্রডকাস্টারকে। তার পরিষ্কার কথা, ‘জেতার জন্য আরও ভালো একটা উপায় খুঁজে বের করা উচিত ছিল, সুপারস্পোর্ট!’

এই আগুন কতদূর গড়ায় কে জানে! কেপটাউনে চতুর্থ দিনে দক্ষিণ আফ্রিকার জয়ের জন্য দরকার আর ১১১ রান, হাতে আছে ৮ উইকেট। জেতার জন্য মরিয়া দুই দল মাঠে নতুন কোনো যুদ্ধে না জড়ালেই হয়!

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *