কোহলির জায়গায় আমি থাকলে বিয়ে করতাম না, বোমা ফাটালেন এই তারকা ক্রিকেটার

কোহলি ২০১৭ এবং ২০১৮ সালে জিতেছেন বর্ষসেরা ক্রিকেটারের স্যার গারফিল্ড সোবার্স ট্রফি। এর মধ্যে ২০১৮ সালে একই সঙ্গে আইসিসি বর্ষসেরা টেস্ট এবং ওয়ানডে ক্রিকেটার হয়েছেন যা ইতঃপূর্বে আর কেউ হতে পারেন নি।

সাম্প্রতিক সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না ভারতের তারকা ব্যাটার বিরাট কোহলির। গত সেপ্টেম্বরে নিজ থেকে টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছেড়েছেন তিনি। পরে তাকে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)।

আর সবশেষ দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে সিরিজ হারের পর টেস্ট অধিনায়কত্ব ছেড়ে দিয়েছেন সময়ের অন্যতম সেরা এই ব্যাটার। শুধু অধিনায়কত্ব ঘিরেই নয়, ব্যাট হাতেও ঠিক আগের ছন্দে নেই কোহলি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তার সবশেষ সেঞ্চুরি এসেছে প্রায় ২৬ মাস আগে।

কোহলির এমন অবস্থার মাঝে নতুন আলোচনা নিয়ে এলেন পাকিস্তানের সাবেক গতিতারকা শোয়েব আখতার। গত ৩-৪ বছর ধরে যেই চাপের মধ্যে রয়েছেন কোহলি, সেই অবস্থায় থাকলে বিয়েই করতেন না রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস।

পাকিস্তানের দৈনিক জাগরণে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শোয়েব বলেছেন, ‘আমি ওর (কোহলি) জায়গায় হলে বিয়ে করতাম না। কারণ আমি তখন রানের মধ্যে আছি এবং ক্রিকেটটা উপভোগ করছি। ক্রিকেটে এমন ১০-১২ বছর সময় থাকে। যা আর কখনও ফেরত আসে না।’

তবে বিয়ে করাকে দোষারোপ করছেন না জানিয়ে শোয়েব বলেন, ‘আমি বলছি না বিয়ে করা ভুল। তবে আপনি যখন ভারতের হয়ে খেলছেন, তখন আপনার নিজের উপভোগ করার মতো সময় খুবই অল্প। ভক্তরা কোহলির নামে পাগল। তাকে অবশ্যই এই ভালোবাসা ধরে রাখতে হতো, যা গত ২০ বছর ধরে পাচ্ছে।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘বাচ্চার কাছ থেকে চাপ থাকে, পরিবারের কাছ থেকেও থাকে। দায়িত্ব যত বাড়ে, চাপটাও বেড়ে যায়। ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ার সাধারণত ১৪-১৫ বছরের হয়। যার মধ্যে ফর্মের চূড়ায় থাকা হয় ৫-৬ বছর। কোহলি সেই সময় পার করে ফেলেছে। এখন তাকে ধুঁকতে হবে।’

শোয়েবের মতে, একটি জাতীয় দলের অধিনায়ক হিসেবে যেকোনো খেলোয়াড়ের ওপরেই বাড়তি দায়িত্ব থাকে। যেকোনো খেলোয়াড়ের সেসবের দিকেই পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া উচিত। তাদের ব্যক্তিগত জীবনের কাজ তথা বিয়ের বিষয়টি পরেও হতে পারে বলে মন্তব্য শোয়েবের।

পাকিস্তানি গতিতারকা বলেছেন, ‘অধিনায়ক হিসেবে আপনাকে অনেক কিছু ভাবতে হবে। আমি মোটেও বিয়ের বিপক্ষে নয়। তবে আমি বিশ্বাস করি খেলোয়াড়ি জীবনে বেশি চাপ থাকা উচিত নয়, নির্ভার থেকে খেলতে পারা উচিত। কেননা অধিনায়ক হিসেবে আপনাকে অনেক কিছুর মুখোমুখি হতে হয়।’

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *