বিশ্বের ৪ বাঘা ব্যাটসম্যান, রান আউটের কারণে যাদের ক্যারিয়ার শেষ হয়েছিল

ক্রিকেটের যে কোনও ফরম্যাটে রান আউট হওয়া খুবই হতাশাজনক। কখনো কখনো একজন ব্যাটসম্যান দুরন্ত ফর্মে থাকা সত্ত্বেও রান আউট হয়ে দলকে পরাজয়ের মুখোমুখি ফেলেছেন।

তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এমন কিছু ব্যাটসম্যান রয়েছেন যাদের ক্যারিয়ার শেষ হয়েছিল রান আউটের মাধ্যমে, এবার তাদের সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক:

১) মহেন্দ্র সিং ধোনি:
২০১৯ সালের বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে মহেন্দ্র সিং ধোনির নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তার শেষ ম্যাচটি খেলেছিলেন। ওই ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি মার্টিন গাপটিলের থ্রোতে রান আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান।

ধোনি রানআউট না হলে ম্যাচের ফলাফল অন্য কিছু হতে পারত। এই ম্যাচে ধোনির ব্যাট থেকে এসেছিল ৫০ রান। উল্লেখ্য ধোনি তার অভিষেক ওয়ানডে ম্যাচেও রান আউট হয়েছিলেন।

২) ব্রায়ান লারা:
ব্রায়ান লারাকে ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম সেরা ব্যাটসম্যান হিসেবে গণ্য করা হয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ তার মত এক বিরল প্রজাতির ক্রিকেটার পেয়েছিল। তিনি ২০০৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সুপার এইটে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ ম্যাচ খেলে ছিলেন তিনি। কেভিন পিটারসেনের হাতে ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি রান আউট হয়েছিলেন। এই ম্যাচে তার ব্যাট থেকে আসে ১৮ রান।

৩) মোহাম্মদ কাইফ:
প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার মোহাম্মদ কাইফ তার সময়ের সেরা ফিল্ডার হিসেবে গণ্য হতেন। ২০০২ সালে ইংল্যান্ডের মাটিতে ন্যাটওয়েস্ট ট্রফি জিতিয়ে রাতারাতি তারকা হয়ে ওঠেন এই খেলোয়াড়।

তিনি ২০০৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে শেষ বার আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ম্যাচটি খেলেছিলেন। এই ম্যাচে শন পোলক ও লুটস বোসম্যান যৌথভাবে তাকে রান আউট করেন। এই ম্যাচে মোহাম্মদ কাইফ ১০ রান করেই প্যাভিলিয়নে ফিরে গিয়েছিলেন।

৪) জাভেদ মিয়াঁদাদ:
শচীন টেন্ডুলকারের মতোই জাভেদ মিয়াঁদাদও যৌথভাবে সর্বোচ্চ ৬টি বিশ্বকাপ খেলার কৃতিত্ব অর্জন করেছেন। তবে তার শেষ ম্যাচটি খেলেছিলেন ১৯৯৬ বিশ্বকাপের ভারতের বিরুদ্ধে।

সেই ম্যাচে ভারতীয় দল প্রথমে ব্যাট করে ২৮৭ রান খাড়া করে। জবাবে পাকিস্তানি দল শুরুটা ভালো করলেও শেষ পর্যন্ত ৩৯ রানে পরাজিত হয়। এই ম্যাচে জাভেদ মিয়াঁদাদ রান আউট হয়েছিলেন এবং তার ব্যাট থেকে আসে ৩৮ রান।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *