ভারত কিংবা আরব আমিরাত নয়, এই দুই দেশে হতে যাচ্ছে আইপিএলের ১৫ তম আসর

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ, যা স্পন্সরজনিত কারণে আনুষ্ঠানিকভাবে ভিভো ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ নামে পরিচিত, হচ্ছে ভারতের একটি প্রতিযোগিতামূলক টুয়েন্টি২০ ক্রিকেট লিগ।

এটি প্রতি বছর সাধারণত এপ্রিল ও মে মাসে ভারতের কয়েকটি নির্দিষ্ট শহর এবং রাজ্যের প্রতিনিধিত্বকারী দলের মধ্যে আয়োজিত হয়

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) এবারের আসর ভারতের মাটিতে আয়োজনে বদ্ধপরিকর বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়া(বিসিসিআই)। তবে করোনাভাইরাসের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় বিকল্প হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও শ্রীলঙ্কার কথা ভাবছে সৌরভ গাঙ্গুলির বোর্ড।

মাঝে করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসায় বিসিসিআই ঘোষণা দিয়েছিল, ১৫তম আসর আয়োজিত হবে ভারতেই। তবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশটিকে পড়তে হয়েছে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে। যে কারণে বিসিসিআই আইপিএল আয়োজন বিকল্প পথ খুঁজতে শুরু করেছে।

বিসিসিআই পরিকল্পনা করছে শুধু একটি রাজ্যে আইপিএল আয়োজনের। সেই দৌড়ে এগিয়ে আছে মহারাষ্ট্র। কারণ মহারাষ্ট্রে উন্নতমানের চারটি স্টেডিয়াম রয়েছে। ভারতীয় বোর্ড চাওয়া, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এই চার ভেন্যুতেই পুরো আইপিএল আয়োজন হোক!

ভারতের এক রাজ্যে আইপিএল আয়োজন করা সম্ভব না হলে সেক্ষেত্রে দেশের বাইরে টুর্নামেন্টেটি আয়োজন করার কথা ভাবছে বিসিসিআই। এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। সেক্ষেত্রে দক্ষিণ আফ্রিকা কিংবা শ্রীলঙ্কাকে বেছে নিতে পারে তারা।

আইপিএলের সর্বশেষ মৌসুমের দ্বিতীয় পর্ব সংযুক্ত আরব আমিরাতে অনুষ্ঠিত হলেও বারবার তাদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে চায় না ভারতের বোর্ড। এ প্রসঙ্গে বোর্ডের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা সবসময় সংযুক্ত আরব আমিরাদে ওপর নির্ভর করে থাকতে পারি না। তাই আমরা বিকল্প খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে সময়ের পার্থক্য ক্রিকেটারদের জন্য ভালো হবে।’

১৫তম আসরে নতুন দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি হয়েছে আহমেদাবাদ ও লক্ষ্ণৌ। ইতোমধ্যে বোর্ডের কাছ থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে এই দুই দলের ফ্র্যাঞ্চাইজি। বেঙ্গালুরুতে ১০ দলের অংশগ্রহণে এবারের নিলাম অনুষ্ঠিত হবে ১২ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি। সব ঠিক থাকলে আইপিএল মাঠে গড়াবে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *