রয়েল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গালোর শিবিরে দারুন সুখবর দিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স

তিনি বলেন, আমার মনে হয় আমি দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগে যথেষ্ট খেলে ফেলেছি। তরুণ ক্রিকেটারদের প্রতিভা উন্মোচন করতে এখন আমাদের জায়গা ছেড়ে দেওয়া উচিত। আর আমি সে কারণেই ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছি।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগে। তবে ধারাবাহিকভাবে ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগে রয়েল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গালোর শিবিরে খেলে যাচ্ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার এবি ডি ভিলিয়ার্স। তবে গেল বছর আইপিএল শেষে তিনি সমস্ত রকমের ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেন।

তার অবসর ঘোষণায় রীতিমত হতবাক হয়ে গিয়েছিল ক্রিকেটপ্রেমীরা। বিধ্বংসী এই ব্যাটসম্যান মাঠের যেকোন প্রান্তে শর্ট মারতে পারদর্শী ছিলেন। যে জন্য আন্তর্জাতিক ক্রিকেট বিশ্বে তিনি মিস্টার ৩৬০⁰ নামে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। ব্যাট হাতে যে কোন দলের বিরুদ্ধে দানবীয় হয়ে ওঠাই ছিল তার প্রধান লক্ষ্য।

দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেট দলের হয়ে যেমন বিশ্বময় সুনাম অর্জন করেছেন ডি ভিলিয়ার্স ঠিক তেমনি ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগে রয়েল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গালোরের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়ে পড়েছিলেন তিনি। বিরাট কোহলির সাথে জুটি বেঁধে একের পর এক ম্যাচে বিধ্বংসী পারফরম্যান্স করে গেছেন প্রোটিয়া এই ব্যাটসম্যান।

২০২১ মরশুমে এবি ডি ভিলিয়ার্স ৩১ গড়ে ১৫ ম্যাচে ৩১৩ রান সংগ্রহ করেছিলেন। ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগের সবচেয়ে সফলতম ব্যাটসম্যানদের তালিকায় তার নাম রয়েছে প্রথম সারিতে। তিনি ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগে ১৮৪ ম্যাচ খেলে ৫১৫২ রান সংগ্রহ করেছিলেন।

হঠাৎ ৩৭ বছর বয়সে ক্রিকেটকে বিদায় জানানোর আকস্মিকতা ছিল এতই বেশি যে, রীতিমতো হতবাক হয়ে গিয়েছিলেন ক্রিকেটপ্রেমীরা। তবে আবারো ক্রিকেটপ্রেমীদের হতবাক করে দিয়ে ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন করার খবর দিলেন এবি ডি ভিলিয়ার্স।

যোগ দেবেন রয়েল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গালোর শিবিরে। তবে ব্যাট হাতে মাঠে নামতে দেখা যাবে না মিস্টার ৩৬০⁰কে। তিনি সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, রয়েল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গালোরের কোচ কিংবা কোচিং স্টাফ হিসেবে যোগ দিতে চান ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগে।

তিনি বলেন, আমার মনে হয় আমি দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগে যথেষ্ট খেলে ফেলেছি। তরুণ ক্রিকেটারদের প্রতিভা উন্মোচন করতে এখন আমাদের জায়গা ছেড়ে দেওয়া উচিত। আর আমি সে কারণেই ক্রিকেটকে বিদায় জানিয়েছি।

তবে ২২ গজে ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা সবার মতো আমারও রয়েছে। আর সেই কারণে রয়েল চ্যালেঞ্জার ব্যাঙ্গালোর শিবিরে একজন কোচ কিংবা অ্যাডভাইজার হিসেবে কাজ করতে চাই। সূত্রের খবর, ২০২২ সালে ব্যাঙ্গালোর শিবিরে দেখা মিলতে চলেছে চিরপরিচিত ডি ভিলিয়ার্সকে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *