নারীশরীর এমনিতেই রহস্যে মোড়া। মহিলাদের স্ত’নযুগলের সুডৌল গড়নের প্রতি আকৃষ্ট হননি, এমন পুরুষ দুনিয়ায় খুঁজে পাওয়া কঠিন। আর শুধু পুরুষদের কথাই বা বলছি কেন, মহিলাদেরও নিজেদের স্ত’ন নিয়ে গর্বের শেষ নেই। স্ত’নের আকৃতি, গঠন নিয়ে তাঁরা সদা সচেতন। অন্তর্বাস পরার আগে খুঁতখুঁতে হন অশিকাংশ মহিলাই। কিন্তু জানেন, স্ত’নের প্রতি পুরুষদের এহেন দুর্নিবার আকর্ষণের কারণ কী? হাফিংটন পোস্টে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞরা বেশ কয়েকটি কারণ খুঁজে পেয়েছেন। পড়ুন তেমনই ১০টি কারণ-

১. প্রথমত এক সুন্দরী মহিলার সুগঠিত স্ত’ন দেখতে অত্যন্ত সুন্দর, দৃষ্টিনন্দন হয়। আকৃতি যেরকমই হোক না কেন- কোনও মহিলার স্ত’নের সৌন্দর্যের প্রতি পুরুষরা আকৃষ্ট হবেনই। মহিলাদের ব্যক্তিত্বে এক অনন্য মাত্রা যোগ করে স্ত’নের আকৃতি। শুনতে খানিকটা খারাপ লাগলেও, মহিলাদের শরীরের যে অংশে পুরুষদের চোখ সবার আগে আটকে যায়, তা হল স্ত’ন।

২. নারীত্বের প্রতীক হল স্ত’ন। পুরুষদের শরীরে বিভাজিকা খুব একটা দেখা যায় না। তাঁদের শারীরিক গঠন সোজাসাপটা। অন্যদিকে, মহিলাদের শরীরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিভাজিকা রয়েছে তাঁদের বক্ষযুগলেই। ওই ‘কার্ভ’ নারীত্বের প্রতীক, গর্ব, কখনও অহংকারও। আর সে কারণেই ডাকসাইটে হলি থেকে টলি অভিনেত্রীরাও স্ত’নের আকার নিয়ে সদা সচেতন। প্রয়োজনে স্তনের আকার বাড়াতে ছুরি-কাঁচি চালাতেও দ্বিধা করেন না তাঁরা।

৩. আদিকাল থেকেই সুগঠিত, উর্বর নারীদেহের প্রতি পুরুষরা আকর্ষিত হয়েছেন। যে মহিলাদের স্ত’ন সুগঠিত, সুউচ্চ ও ভরাট, তাঁদের দেখে পুরুষদের মনে কামনার স্ফুলিঙ্গ জ্বলে ওঠে বলেই জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এর পিছনে শারীরিক ছাড়াও রয়েছে খানিকটা মানসিক কারণও। ওই যে প্রথমেই বললাম, উর্বর ও সন্তান উৎপাদনে সক্ষম মহিলাদের স্ত’নযুগল সুন্দর হবে, এই ধারণা অতীত থেকেই পুরুষদের মনে বদ্ধমূল হয়ে রয়েছে। তাই যে সমস্ত মহিলারা সুডৌল স্তনের অধিকারী হন, তাঁদের সঙ্গী হিসাবে অগ্রাধিকার দেন পুরুষরা।

৪. পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে শারীরিক গঠনের বেশ কিছু পার্থক্য থাকে। সব পার্থক্য সাধারণত বাইরে থেকে দেখে বোঝা যায় না। সেক্ষেত্রে মহিলাদের স্ত’নযুগলের ‘শেপ’ ও ‘সাইজ’ বাইরে থেকেই খানিকটা আঁচ করা যায়। তেমন গঠন হলে পুরুষদের চোখ সেদিকে আটকে যায়। পুরুষদের মনে কামনার আগুন জ্বলতে শুরু করে। পোশাকি ভাষায় একে বলে ‘ভিজুয়াল স্টিমুলেশন’। অর্থাৎ, স্ত’নের গঠন দেখেই পুরুষদের কামোত্তেজনা জাগতে শুরু করে দেয়।

৫. নারীশরীরের অন্দরমহলে প্রবেশপথের দরজা হল তাঁর স্ত’ন। সঙ্গমের আগে স্তনযুগল ছুঁয়ে দেখে পুরুষদের কামভাব জাগ্রত হয়। অর্গ্যাজমের সূত্রপাত হয়। ধীরে ধীরে সেই কামনার আগুন সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। হরমোনাল অ্যাকটিভিটি একাধাক্কায় বেড়ে যায় অনেকটাই।

৬. পূর্ণ মিলনের আগে ‘ফোরপ্লে’-র ক্ষেত্রে স্তনের জুড়ি মেলা ভার। মিলনের আগে স্ত’ন ছাড়া ফোরপ্লে করতে জানেন না অধিকাংশ পুরুষই, এমনটা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। স্ত’ন, বিশেষত স্ত’নবৃন্ত নিয়ে খেলা করতে ভালবাসেন রতিক্রিয়ায় পারদর্শী পুরুষরা।

৭. স্ত’নের গঠন ও ‘ইলাস্টিসিটি’র জন্য এ নারীঅঙ্গ ছুঁয়ে দেখতেও ভারী পছন্দ করেন পুরুষরা। এখানে মহিলাদের একটি বিশেষ স্বভাবের কথা তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা। যে পুরুষরা প্রেমিকা বা স্ত্রীর স্তন খুব যত্ন সহকারে, ভালোবেসে ছুঁয়ে দেখেন, তাঁদের দায়িত্বশীল বলে মনে করেন অধিকাংশ মহিলাই।

৮. স্ত’নযুগল হল নারীশরীরের অন্যতম রহস্যময় স্থান। যে মুহূর্তে পুরুষদের চোখ স্ত’নের দিকে যায়, তখন থেকেই তাঁরা কামোত্তেজক চিন্তাভাবনা শুরু করে দেন। মহিলাদের পোশাকের নিচে উদ্ধত স্তনের আসল আকৃতি সম্পর্কে ভাবতে শুরু করে দেন। যতক্ষণ না সেই স্ত’ন সম্পর্কে যাবতীয় রহস্যভেদ হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত একজন স্বাভাবিক পুরুষকে ওই চিন্তা তাড়া করে বেড়ায়।

৯. ক্লিভেজ ছাড়া স্ত’নের আসল মজাটাই মাটি। লো-কাট টপ বা সাহসী পোশাক পরিহিতা মহিলাদের বিলোল বিভাজিকার প্রতি গভীরভাবে আকৃষ্ট হন পুরুষরা। তবে যে মহিলাদের বিভাজিকা সেভাবে প্রকট নয়, সেক্ষেত্রে গোটা শরীরটাকেই ভালবাসেন পুরুষরা।

১০. বেশ কয়েকটি কারণে পুরুষরা স্ত’নের মধ্যে শান্তির আশ্রয় খুঁজে পান। দিনভর কাজ, ডিপ্রেশন, চাপ, টেনশনের পর স্ত’নে মাথা রেখে শুয়ে থাকতে ভালবাসেন। গবেষণা বলছে, যে ব্যক্তিরা প্রতিদিন অন্তত ১৫ মিনিট করে সঙ্গিনীর স্তনে মাথা রেখে শোন, তাঁরা বেশিদিন বাঁচেন, সুস্থ থাকেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.