IPL এ রসিদ খানকে দলে ভিরাতে তুমুল কারাকারি এই দুই ফ্র্যাঞ্চাইজির

রশীদ খান আরমান নানগারহর এলাকায় জন্মগ্রহণকারী আফগানিস্তানের উদীয়মান আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। আফগানিস্তান ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য তিনি।

১৮ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তার একদিনের আন্তর্জাতিকে অভিষেক ঘটে। একই দলের বিপক্ষে ২৬ অক্টোবর, ২০১৫ তারিখে টুয়েন্টি২০ আন্তর্জাতিকে তার অভিষেক হয়।

কোন দলে স্পিন জাদুকর রশিদ খান। তাঁকে নিয়ে চলা প্রতিযোগিতায় অবশেষে লখনউয়ের থেকে খানিকটা এগিয়ে গেল আহমেদাবাদ। সবকিছু ঠিকঠাক চললে আসন্ন মরসুমে নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি আহমেদাবাদের হয়ে মাঠে নামতে পারেন আফগান তারকা বোলার।

শোনাযাচ্ছে ইতিমধ্যে নাকি রশিদ খানের কাছে চুক্তিপত্রও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে আহমেদাবাদের তরফে। এখন নাকি অপেক্ষা শুধুই তাঁর সরকারী সিলমোহরের। নিলামের আগেই দলের তিন তারকা ক্রিকেটারদের নিতে মরিয়া লখনউ ও আহমেদাবাদ।

গতবছরই বিরাট অঙ্কে আইপিএলে যুক্ত হয়েছে দুই নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি। আট দলের নয় আসন্ন আইপিএল হবে ১০ দলকে নিয়ে। যারজন্য আগামী ১২ ও ১৩ ফেব্রুয়ারি মেগা নিলামের আসর বসবে বেঙ্গালুরুতে।

তার আগে তিনজন করে ক্রিকেটার নেওয়ার সুযোগ পাবে এই নতুন দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি। আর সেই লক্ষ্যেই এখন মরিয়া চেষ্টা লখনউ ও আহমেদাবাদের। দুই নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজি আসার পরই আইপিএলের ইতিহাসে আয়োজিত হবে সবচেয়ে বড় নিলামের আসর।

যারজন্য ইতিমধ্যেই মাত্র চারজন ক্রিকেটারকে রেখে বাকিদের ছেড়ে দিতে হয়েছে প্রতিটি ফ্র্যাঞ্চাইজিকে। আর এই দুই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে সেখান থেকেই তিন নতুন ক্রিকেটার সই করাতে হবে।

যাদের মধ্যে একজন বিদেশী ও দুজন দেশীয় ক্রিকেটারকে নিতে পারবে তারা। ক্রিকেটার বাছার কাজটা বহুদিন ধরেই শুরু করে দিয়েছে দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশী নজর এখন রশিদ খানের দিকে।

আইপিএলের মঞ্চে অভিষেকের পর থেকেই সাফল্যের রাস্তায় হেঁটেছেন রসিদ খান। এতদিন সামরাইজার্স হায়দরাবাদে ছিলেন তিনি। তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার পরই দলে নেওয়ার জন্য ঝাপিয়ে পড়েছিল লখনউ। কয়েকদিনের মধ্যেই সেই লড়াইয়ে যোগ দেয় আহমেদাবাদও।

কয়েকদিন আগেই অস্ট্রেলিয়ার বিগব্যাশ লিগে একা ছয় উইকেট নিয়ে নতুন রেকর্ড গড়েন রশিদ খান। এরপরই যেন তাঁকে নিয়ে দড়ি টানাটানিটা আরও জোড়ালো হয়। আর শোনাযাচ্ছে সেই প্রতিযোগিতায় লখনউকে পিছনে ফেলে বেশ কয়েক পা এগিয়ে গিয়েছে আহমেদাবাদ।

ইতিমধ্যে নাকি রসিদ খানের সঙ্গে কথাবার্তাও অনেকটা এগিয়ে ফেলেছে তারা। চুক্তিপত্রও নাকি পৌঁছে গিয়েছে আগান স্পিনারের কাছে। অপেক্ষা শুধুই তাঁর চুড়ান্ত সম্মতির।

কয়েকদিন আগেই আইপিএলের গভর্নিং কাউন্সিলের বৈঠক হয়েছে। সেখানেই নিলাম সহ আরও বেশকিছু নিয়ম, বিধি নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই বৈঠকের পরই এই দুই ফ্র্যাঞ্চাইজিকে ২২ জানুয়ারী পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে নতুন ক্রিকেটার নেওয়ার জন্য।

হাতে রয়েছে আরমাত্র ৮ দিন। কোচ, সাপোর্ট স্টাফ আগেই ঠিক হয়ে গিয়েছে। এখন শুধুই তিন সেরা ক্রিকেটার বেছে নেওয়ার কাজ বাকি। দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি কী কী চমক দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *